মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

0
4793
মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

উৎস পরিচিতি ( Source ):

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় । ‘ মানব – কল্যাণ ’ প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত । এটি প্রথমে রচনার বক্তব্যবিষয় ( Gist ) মানব – কল্যাণ ’ প্রবন্ধে লেখক জগতে মানবকল্যাণ সাধনের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছেন । তিনি এতে মানবকল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচারে সচেষ্ট হয়েছেন । মানবকল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত । মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান হচ্ছে মানুষের মানবিক বৃত্তি বিকাশের ক্ষেত্র রচনা । মানুষের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক দ্বিধা – বিভক্তি নিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করা সম্ভব নয় । মানবকল্যাণ বলতে লেখক মূলত মানুষের ব্যবহারিক জীবনের কল্যাণকে বুঝিয়েছেন । সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষকে করুণাবশত দান – খয়রাত করাকে মানবকল্যাণ মনে করে । কিন্তু লেখকের মতে এমন ধারণা খুবই সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক । তাঁর মতে মানব – কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । এই কল্যাণের লক্ষ্য সব অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো । লেখকের বিশ্বাস , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।

পাঠ – পরিচিতি:

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত । এটি প্রথম ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় । এই রচনায় লেখক মানব কল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচারে সচেষ্ট হয়েছেন । সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষকে করুণাবশত দান – খয়রাত করাকে মানব কল্যাণ মনে করেন । কিন্তু লেখকের মতে , এমন ধারণা খুবই সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক । তাঁর মতে , মানব কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । এ কল্যাণের লক্ষ্য সকল অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো । লেখকের বিশ্বাস , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।

শব্দার্থ ও টীকা:

  1. শিরোনাম – প্রবন্ধ রচনাদির নাম ।
  2. মামুলি – প্রথানুযায়ী , গতানুগতিক , অতি সাধারণ ।
  3. উপলব্ধি – অনুভূতি , বোধ , লব্ধ জ্ঞান ।
  4. দীনতা – দরিদ্রতা ।
  5. বীভৎস – অতিশয় কদর্য , ঘৃণ্য , বিকৃত ।
  6. অবমাননা – অপমান , অসম্মান ।
  7. খয়রাত – দান , বিতরণ , ভিক্ষা ।
  8. অবশ্যম্ভাবী – নিশ্চয় ঘটবে এমন ।
  9. স্বাবলম্বন – আত্মনির্ভরতা , নিজ শক্তি দ্বারা কর্ম করা ।
  10. সোপান – সিঁড়ি ।
  11. সংযোগ – মিলন , সংলগ্নতা , মিশ্রণ , যোগাযোগ ।
  12. স্বয়ম্ভূ – স্বয়ং সৃষ্ট , স্বেচ্ছায় শরীরধারী , ব্রহ্মা , বিষ্ণু , শিব ।
  13. অলৌকিক – লোকাতীত , ইহলোকের নয় এমন ।
  14. অবিচ্ছেদ্য – বিযুক্ত বা খণ্ডিতকরণের অযোগ্য বা অসাধ্য ।
  15. জাগতিক – জগৎ বা ইহলোক সম্বন্ধীয় , পার্থিব ।
  16. রিহেবিলিটেশন – পুনর্বাসন ।
  17. বিক্ষিপ্ত – এলোমেলো , অস্থির , ইতস্তত ছড়ানো ।
  18. স্ফুরণ – স্ফুটন – কম্পন , স্পন্দন , প্রকাশ , বিকাশন ।
  19. অস্তিত্ববাদ – সত্তার বিদ্যমানতা সম্পর্কিত মতবাদ , ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস ।
  20. চাটুকার – তোষামোদ করে এমন , তোষামোদকারী ।
  21. ক্ষুণ্ণ – দুঃখিত , ব্যথিত , ক্ষুব্ধ ।
  22. সংক্রান্ত – সম্পর্কিত , সম্বন্ধীয় ।
  23. বর্তায় – প্রযোজ্য হয় , উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য হওয়া ।
  24. বাহবা – উচ্ছ্বসিত প্রশংসা , প্রবল সমর্থন ।

বানান সতর্কতা ( Orthography ):

অবিস্মরণীয় , গোষ্ঠীবদ্ধ , অস্তিত্ব , ক্ষুণ্ণ , মনুষ্যত্ববোধ , বর্ষণ , বীভৎস , অবশ্যম্ভাবী , স্বাবলম্বন , আত্মমর্যাদাসম্পন্ন , স্বয়ম্ভু , স্রেফ , কণ্ঠস্বর , স্ফুরণ – স্ফুটন , দৃষ্টিভঙ্গি , পরিণতি , স্বীকৃতি , তাচ্ছিল্য , মনীষা ।

চৌম্বক তথ্য ( Magnetic Information ):

  1. ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধের লেখক আবুল ফজল ।
  2. আবুল ফজলের জন্ম চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৯০৩ সালে ।
  3. আবুল ফজল শিক্ষকতা , অধ্যাপনা , বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন ।
  4. আবুল ফজলের লেখায় স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি , মানবতা ও শুভবোধ এবং আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ প্রতিফলিত হয়েছে ।
  5. মানবকল্যাণ সাধনে অসাম্প্রদায়িক ধর্মচেতনা একান্ত জরুরি ।
  6. একুশে ফেব্রুয়ারি সম্পর্কে তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘ একুশ মানে মাথা নত না করা ‘ ।
  7. চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের মৃত্যু ১৯৮৩ সালের ৪ মে চট্টগ্রামে । তাঁর ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত ।
  8. মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধটি প্রথম ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় ।
  9. মানবকল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় , তা জাগতিক মানবধর্ম ।
  10. ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধে মানবকল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচার করা হয়েছে ।
  11. মানবকল্যাণ অর্থ করুণাবশত দান – খয়রাত করা নয় ।
  12. মানবকল্যাণ হচ্ছে মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস ।
  13. মানবকল্যাণের লক্ষ্য হচ্ছে অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো ।
  14. আবুল ফজলের মতে , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।
  15. মানবকল্যাণের প্রকৃত ধারণা লাভ করতে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে ।
  16. সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষকে বৈজ্ঞানিক , ( Rational ) ও সুবুদ্ধি – নিয়ন্ত্রিত হতে হবে ।
  17. “ মানব – কল্যাণ— এ শিরোনাম আমার দেওয়া নয় ।
  18. ” মানবকল্যাণ বলতে মানুষের জীবনের উৎকর্ষের জন্য মানুষের উপকার করাকে বোঝায় ।
  19. মানবকল্যাণ কথাটা সস্তা ও মামুলি অর্থেই আমরা প্রচলিত ধারণায় ব্যবহার করে থাকি ।
  20. যে কারণে এটি প্রবন্ধকারের দেওয়া শিরোনাম নয় ।
  21. “ ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ ।
  22. ” ওপরের হাত বলতে দাতার হাতকে বোঝায় ।
  23. এই হাত থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করা হয় ।
  24. অন্যদিকে নিচের হাত বলতে গ্রহীতার হাতকে বোঝায় , মানুষ যে হাত পেতে কারও দান গ্রহণ করে ।
  25. “ সে সোপান রচনাই সমাজ আর রাষ্ট্রের দায়িত্ব ।
  26. ” মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনা সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব ।
  27. সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সমান ।
  28. মানুষ যাতে মানবিক বৃত্তি বিকাশের পথ অনুসরণ করে বেড়ে উঠতে পারে , সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়াই মানবকল্যাণের প্রাথমিক কাজ ।
  29. সত্যিকার মানব – কল্যাণ মহৎ চিন্তা – ভাবনারই ফসল ।
  30. ” কালে কালে জগতের মহৎ ব্যক্তিরা মানবকল্যাণের জন্য চিন্তা ভাবনা করেছেন এবং বাস্তবে প্রতিফলন ঘটিয়ে তার আদর্শ রেখে গেছেন ।
  31. বিদ্যাপতি , চণ্ডীদাস , লালন থেকে আধুনিককালের রবীন্দ্রনাথ , নজরুল সবাই মানবিক চেতনার উদাত্ত সত্যিকার
  32. মানবকল্যাণ তাঁদেরই মহৎ চিন্তা – ভাবনার ফসল ।
  33. স্রেফ সদিচ্ছা দ্বারা মানব – কল্যাণ সাধিত হয় না ।
  34. ” লালন করে তা কার্যকর না করলে মানবকল্যাণ সাধন করা যায় না ।
  35. মানবকল্যাণের জন্য প্রয়োজন উদ্যোগ , সঠিক পরিকল্পনা , স্লোগান ও কর্মনিষ্ঠা । তাহলেই সদিচ্ছা সফলতা লাভ করে ।

লেখক পরিচিতি

শিক্ষাজীবন : আবুল ফজল ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের জন্মগ্রহণ করেন । গ্রামের প্রাইমারি পড়ার পর চট্টগ্রাম শহরে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন । পরে ১৯১৩/১৪ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন । ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিক, ১৯২৫ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন । তিনি ১৯২৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন । ১৯৪০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন ।

কর্মজীবন : শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৩১ সালে মসজিদে ইমামতির মাধ্যমে পেশাগত জীবন শুরু করেন । চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল , চট্টগ্রাম সরকারি মাদরাসা ও চট্টগ্রাম কাজেম আলী বেসরকারি হাইস্কুলে চাকুরী করেন । ১৯৩৩ সালে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে দ্বিতীয় পণ্ডিতের পদে স্থায়ীভাবে যোগ দেন । ১৯৩৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে সহকারী ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন । ১৯৪১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর কলেজে বাংলা বিষয়ের লেকচারার পদে যোগদান করেন । সেখান থেকে ১৯৪৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে বদলি হন এবং সেখান থেকেই ১৯৫৬ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন । ১৯৭৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে যোগদান করেন । ১৯৭৫ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৭৭ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন ।

সাহিত্য সাধনা : মানব কল্যাণ- আবুল ফজল কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করলেও তিনি ছিলেন মূলত চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক । স্বদেশপ্রেম , দায়িক চিন্তা – চেতনা , সত্যনিষ্ঠা , মানবতা ও কল্যাণবোধ ছিল তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয় । তাঁর প্রবন্ধে সাহিত্য , সংস্কৃতি , সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও স্বচ্ছ দৃষ্টির পরিচয় বিধৃত । আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ , স্বদেশ মানবতা ও শুভবোধ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় । আবুল ফজল উপন্যাস , ছোটগল্প , নাটক , মাতৃকথা , ধর্ম , ভ্রমণকাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন ।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে-
উপন্যাস : ‘ ( ১৯৩৪ ) , ‘ রাঙা প্রভাত ‘ ( ১৩৬৪ ) ;
গল্পগ্রন্থ: মাটির পৃথিবী ‘ ( ১৩৪৭ ) , ‘ মৃতের আত্মহত্যা ‘ ; প্রবন্ধ সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা ‘ , ‘ সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন ‘ , ‘ সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র ‘ , ‘ মানবতন্ত্র ‘ , ‘ একুশ মানে মাথা নত না করা ‘ । নির্মীলিপি । ‘ রেখাচিত্র ” , ” দুর্দিনের দিনলিপি ‘ ।

পুরস্কার ও সম্মাননা : সাহিত্য চর্চায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয় । এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ( ১৯৬২ ) , আদমজী সাহিত্য পুরস্কার ( ১৯৬০ ) , মাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক ( ১৯৮০ ) , মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার ( ১৯৮১ ) , আব্দুল হাই সাহিত্য পদক ( ১৯৮২ ) এবং সমকাল পুরস্কার লাভ করেছেন ।
মৃত্যু: চট্টগ্রামে ১৯৮৩ সালের ৪ মে মৃত্যুবরণ করেন ।

পাঠ্যবই বিশ্লেষিত:

প্রশ্ন ১। আবুল ফজল কত সালে জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন ।
প্রশ্ন ২। আবুল ফজল কোথায় জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন ।
প্রশ্ন ৩। আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন ?
উত্তর : আবুল ফজল প্রায় ত্রিশ বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন ।
প্রশ্ন ৪। আবুল ফজলের পিতার নাম কী ?
উত্তর : আবুল ফজলের পিতার নাম ফজলুর রহমান ।
প্রশ্ন ৫। আবুল ফজল কোথায় শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন ।
প্রশ্ন ৬। আবুল ফজল কত সালে মারা যান ?
উত্তর : আবুল ফজল ১৯৮৩ সালে মারা যান ।
প্রশ্ন ৭। কোন কথাটি মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ?
উত্তর : মানব কল্যাণ ‘ কথাটি ।
প্রশ্ন ৮। একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা সাধারণভাবে কী মনে করে থাকি ?
উত্তর : মানবকল্যাণ
প্রশ্ন ৯। মানুষ যে হাত পেতে গ্রহণ করে , সেটি কোন হাত ?
উত্তর : নিচের হাত ।
প্রশ্ন ১০। অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে কোন দিক থেকে তফাত ?
উত্তর : অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে মনুষ্যত্ব ও মানব মর্যাদার দিক থেকে তফাত ।
প্রশ্ন ১১। জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক কী ?
উত্তর : রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক ।
প্রশ্ন ১২। রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কী ?
উত্তর : রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব জাতিকে আত্মমর্যদাসম্পন্ন করে ।
প্রশ্ন ১৩। মানবকল্যাণের উৎস কিসের মধ্যে নিহিত ?
উত্তর : মানবকল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত ।
প্রশ্ন ১৪। ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধে একদিন এক ব্যক্তি কার কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল ?
উত্তর : ইসলামের নবির কাছে এক ব্যক্তি ভিক্ষা চাইতে এসেছিল । দিয়েছিলেন ?
প্রশ্ন ১৫। ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধ অনুসারে নবি ভিক্ষুককে কী
উত্তর : নবি ভিক্ষুককে একখানা কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন ।
প্রশ্ন ১৬। মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী ?
উত্তর : মানবিক বৃত্তি বিকাশের যথাযথ ক্ষেত্র রচনা করা ।
প্রশ্ন ১৭। মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব কার ?
উত্তর : মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রের ।
প্রশ্ন ১৮। মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা হয় কোথা থেকে ?
উত্তর : মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা হয় পরিবার থেকে ।
প্রশ্ন ১৯। প্রত্যেক মানুষ কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত ?
উত্তর : প্রত্যেক মানুষ সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত ।
প্রশ্ন ২০। সামগ্রিকভাবে সমাজের ভালো – মন্দের সঙ্গে কোনটি
উত্তর : মানবকল্যাণ সমাজের ভালো – মন্দের সঙ্গে সংযুক্ত ।
প্রশ্ন ২১। কোন মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না ?
উত্তর : বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না ।
প্রশ্ন ২২। সত্যিকার মানবকল্যাণ কিসের ফসল ?
উত্তর : সত্যিকার মানবকল্যাণ মহৎ চিন্তাভাবনার ফসল ।
প্রশ্ন ২৩। কারা মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন ?
উত্তর : বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভাবান সবাই ।
প্রশ্ন ২৪। মহৎ প্রতিভাবানদের উত্তরাধিকারকে আমরা কী করতে পারিনি ?
উত্তর : আমাদের জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি ।
প্রশ্ন ২৫। কারা মানবিক চেতনার উদাত্ত কণ্ঠস্বর ?
উত্তর : বিদ্যাপতি , চণ্ডীদাস , রবীন্দ্রনাথ , নজরুল প্রমুখ মানবিক চেতনার উদাত্ত কণ্ঠস্বর ।
প্রশ্ন ২৬। “ তুমি অধম , তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন ? ” কার উক্তি ?
উত্তর : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ।
প্রশ্ন ২৭। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে কী করতে হবে ?
উত্তর : আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টাতে হবে ।
প্রশ্ন ২৮। কীভাবে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে ?
উত্তর : নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে ।
প্রশ্ন ২৯। জোড়াতালি দিয়ে কী করা যায় না ?
উত্তর : জোড়াতালি দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না ।
প্রশ্ন ৩০। কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ?
উত্তর : মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here