জীবন ও বৃক্ষ- মোতাহের হোসেন চৌধুরী

0
475

নাম মোতাহের হোসেন চৌধুরী

জন্মপরিচয় জন্মসাল : ১৯০৩ খ্রস্টিাব্দ।
জন্মস্থান : কুমিল্লা।
বাড়ি : নোয়াখালি জলোর কাঞ্চনপুর গ্রাম।
শিক্ষাজীবন মাধ্যমকি : ম্যাট্রকি, ইউসুফ হাইস্কুল, কুমিল্লা।
উচ্চ মাধ্যমকি : আই, এ ভক্টিোরয়িা কলজে।
উচ্চতর শক্ষিা : বি.এ, ভক্টিোরয়িা কলজে ; এম এ (বাংলা), ১৯৪৩ খ্রস্টিাব্দ, ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়।
পশো/র্কমজীবন সহকারী শক্ষিক – ইউসুফ হাইস্কুল, কুমিল্লা; প্রভাষক – ইসলাময়িা কলজে, কলকাতা ; অধ্যাপক-বাংলা বভিাগ, চট্টগ্রাম কলজে ; অন্যতম পুরোধা ব্যক্তত্বি- ঢাকার মুসলমি সাহত্যি সমাজরে (১৯২৬) মুক্তবুদ্ধি র্চচা আন্দোলন।
সাহত্যি র্কম প্রবন্ধ গ্রন্থ : সংস্কৃতি কথা।
অনুবাদ গ্রন্থ : ‘সভ্যতা’ (ক্লাইভ বলেরে সভিলিাইজশেনরে অনুবাদ) ; ‘সুখ’ (র্বাট্রান্ড রাসলেরে কংকোয়স্টে অব হ্যাপনিসেরে অনুবাদ।)
জীবনাবসান মৃত্যু তারখি : ১৮ সপ্টেম্বের, ১৯৫৬ খ্রস্টিাব্দ।

গুরুত্বর্পূণ তথ্য:

 তিনি স্মরণীয় হয়ে আছনে ‘বুদ্ধরি মুক্তি আন্দোলন’ নামে পরচিতি বাঙালি মুসলমান।
 সমাজরে অগ্রগতরি এক যুগান্তকারী আন্দোলনরে অন্যতম কাণ্ডারি হসিবে।
 তিনি কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হোসনে, কাজী মোতাহরে হোসনে, আবুল ফজল, আবদুল কাদরি প্রমুখরে সহযোগী।
 তার গ্রন্থ ‘সংস্কৃতি কথা’ বাংলাদশেরে প্রবন্ধ- সাহত্যিে এক বশিষ্টি সংযোজন।
 চট্টগ্রাম কলজেে অধ্যাপনাকালে ১৯৫৬ খ্রষ্টিাব্দরে ১৮ই সপ্টেম্বের তনিি মৃত্যুবরণ করেন।
 তার প্রকাশতি অন্য দুটি গ্রন্থ হচ্ছে ক্লাইভ বলে এর Civilization গ্রন্থ অবলম্বনে রচতি ‘সভ্যতা’ এবং বারট্রান্ড রাসলেরে Conquest of Happiness গ্রন্থরে অনুবাদ ‘সুখ’।
 বাংলা একাডমেি তার প্রকাশতি ও অপ্রকাশতি সমস্ত রচনা গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করেছে।

উৎস :
মোতাহরে হোসনে চৌধুরীর “জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধটি তাঁর ‘সংস্কৃতি কথা’ গ্রন্থ থকেে সংকলতি হয়েছে।

 মূলবাণী/র্মমবাণী/উপজীব্য বষিয়: জীবনরে উদ্দশ্যে ও র্কমপন্থা।

শর্ব্দাথ ও টীকা:

জবরদস্তি প্রিয়- গায়ের জোরে কাজ হাসিলে তৎপর।
বিকৃতবুদ্ধি – বুদ্ধির বিকার  ঘটেছে এমন।
বুলি – এখানে গৎ-বাঁধা কথা হিসাবে ব্যবহৃত।
জীবনার্দশ – জীবনে অনুকরণরে উপযুক্ত মহৎ ও শ্রষ্ঠে দকিগুলো।
মনুষ্যত্ব – মানবোচতি সদগুণাবলি।
তপোবন-প্রেমিক
রবীন্দ্রনাথ – প্রাচীন ভারতীয় ঋষদিরে মতো রবীন্দ্রনাথও ছিলেন অরণ্য ও বৃক্ষপ্রমেকি।
তপোবন – অরণ্যে ঋষির আশ্রম।
র্চমচক্ষু – দৈহিক চক্ষু।
অনুভূতরি চক্ষু – মনরে চোখ।
নতি – অবনত ভাব। বনিয়, নম্রতা।
সাধনা – সাফল্য বা সদ্ধিি র্অজনরে জন্য নরিন্তর প্রচষ্টো।
বৃক্ষরে প্রাপ্তি ও দান – বৃক্ষরে র্অজন হচ্ছে তার ফুল ও ফল।
সৃজনশীল –  সৃষ্টতিে তৎপর।
গূঢ় র্অথ – প্রচ্ছন্ন গভীর তাৎর্পয।

জটিল শব্দসমূহরে র্অথ ও বানান অনুশীলন:

বকিশতি – প্রস্ফুটতি, বকিাশপ্রাপ্ত।
স্বল্পপ্রাণ – ক্ষীণজীবী।
অন্তরায় – বাধা, প্রতবিন্ধক।
নিশান – পতাকা, চহ্নি।
সুক্ষবুদ্ধি – জীবনরে জটলি বষিয়ও বুঝতে পাবার মতো বুদ্ধি।
প্রতীক – কোনো কছিুকে বোঝানোর জন্যে যে চহ্নি ব্যবহৃত হয়।
মুশকিল – সংকট
উচিত – র্কতব্য, ন্যায্য, উপযুক্ত।
অভিব্যক্ত – সাম্যক প্রকাশিত।
ডিঙানো – লাফয়িে পার হওয়া।
অনুভূতির চক্ষু – সংবেদনশীল মনের চোখ।
ধেয়ে চলা – এগিয়ে চলা।
আত্মবর্সিজন – পররে জন্য নজিরে জীবন বর্সিজন বা ত্যাগ।
পততি – পড়ে যাওয়া।
ইশারা – ইঙ্গতি, সংকতে।

সারর্মম:

পর্রাথে আত্মনবিদেতি সুকৃতমিয় র্সাথক ববিকেবোধসম্পন্ন মানবজীবনরে মহত্তম প্রত্যাশা থকেে লখেক মানুষরে জীবন কাঠামোকে তুলনা করছেনে বৃক্ষরে সঙ্গ। তনিি দখেয়িছেনে, বৃক্ষরে বকিশ, পরপর্িূণতা ও র্সাথকতার পছেনে রয়ছেে তার নীরব সাধনা। বৃক্ষ যমেন করে ফুলে ফলে পরপর্িূণতা পায়, আর সে সব অন্যকে দান করে র্সাথকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠ, মানুষরে জীবনরে র্সাথকতার জন্য তার নজিরে সাধনাও তমেনি হওয়া উচতি। তাহলইে র্স্বাথপর, অহংকারী, ববিকেহীন, নষ্ঠিুর জবরদস্তপ্রিবণ মানুষরে জায়গায় দখো দবেে প্রমে, সৌর্ন্দয, সবোয় বকিশতি ববিকেবান পরপর্িূণ ও র্সাথক মানুষ।

জীবন ও বৃক্ষ সর্ম্পকতি গুরুত্বর্পূণ লাইন:

⇒ ফুলরে ফোটা সহজ, নদীর গতি সহজ নয় তাকে অনকে বাধা ডঙিানোর দুঃখ পতেে হয়।
⇒ র্চমচক্ষুকে বড় না করে কল্পনা ও অনুভ‚তরি চক্ষুকে বড় করে তুললে বৃক্ষরে বদেনাও সহজে উপলব্ধি করা যায়।
⇒ তাছাড়া বৃক্ষরে র্সাথকতার ছবি যত সহজে উপলব্ধি করতে পার, নদীর র্সাথকতার ছবি তত সহজে উপলব্ধি করা যায় না।
⇒ দোররে কাছে দাঁড়য়িে থকেে সে অনবরত নত, শান্তি ও সবোর বাণী প্রচার কর।
⇒ বৃক্ষরে পানে তাকয়িে রবীন্দ্রনাথ নশ্চিয়ই অন্তররে সৃষ্টর্ধিম উপলব্ধি করছেনে।
⇒ নীরব ভাষায় বৃক্ষে আমাদরে র্সাথকতার গান গয়েে শোনায়। অনুভ‚তরি কান দয়িে সে গান শুনতে হব-ে
⇒ বৃক্ষরে পানে তাকয়িে আমরা লাভবান হতে পারি জীবনরে গূঢ় র্অথ সম্বন্ধে সচতেন হতে পারি বল।
⇒ বৃক্ষ যে কবেল বৃদ্ধরি ইশারা তা নয়-প্রশান্তরিও ইঙ্গতি। অতি শান্ত ও সহষ্ণিুতায় সে জীবনরে গুরুভাবে বহন কর।

গুরুত্বর্পূণ সংক্ষপ্তি প্রশ্নোত্তর (জ্ঞানমূলক):

১. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধটি সংকলতি হয়ছেে – সংস্কৃতি কথা গ্রন্থ থকে।
২. বৃক্ষরে জীবনরে গতি ও বকিাশকে উপলদ্ধি না করলে চোখরে সামনে ফুটয়িে তোলা সম্ভব নয় – র্সাথকতা ও পরপণতার ছব।
৩. জীবনরে তাৎর্পয উপলদ্ধি করা সহজ হয় – বৃক্ষরে দকিে তাকাল।
৪. ‘বারবার সদেকিে তাকানো প্রয়োজন’ এখানে বারবার তাকানোর কথা বলা হয়ছেে – বৃক্ষরে দকি।
৫. ‘নইলে তার জীবন অসর্ম্পূণ থকেে যাব’- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে এখানে বলা হয়ছেে – বৃক্ষরে দকি।
৬. সজীব বৃক্ষরে – বৃদ্ধি আছে, গতি আছে বিকাশ আছে (এখানে বৃক্ষরে গতি আছ, এটা মনে রাখতে হব)
৭. মোতাহরে হোসনে চৌধুরী বৃক্ষকে গ্রহণ করছেনে- র্সাথকতার প্রতীক হসিবে।
৮. মনুষ্যত্বরে দু:খ স্পষ্ট হয়ে ওঠ-ে নদীর গততি।
৯. ‘তাই কবি নদীকইে মনুষ্যত্বরে প্রতীক করতে চয়েছেনে- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে এখানে কবি বলতে বুঝানো হয়ছে-ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরক।
১০. বৃক্ষরে বদেনা উপলদ্ধি করা যায়-কল্পনা ও অনুভূতরি চক্ষু দয়ি। আছে
১১. বৃক্ষরে সাধনায় দখেতে পাওয়া যায় – ধীরস্থরি ভাব।
১২. মানুষরে সাধনা হওয়া উচৎি নয়- অনবরত ধয়েে চলা।
১৩. গোপন ও নীরব সাধনা অভব্যিক্ত হয়ছে-ে বৃক্ষ।
১৪. দোররে কাছে দাড়য়িে বৃক্ষ অনবরত প্রচার কর-ে নতি শান্তি ও সবোর বাণী।
১৫. সাধনার ব্যাপারে একটা বড় জনিসি- প্রাপ্ত।
১৬. নদীর সাগরে পততি হওয়া দ্বারা বোঝায়- আত্মবর্সিজন।
১৭. বৃক্ষরে প্রাপ্তি চোখরে সামনে ফুটে ওঠে – ছবি হয়।
১৮. প্রাপ্তি ও দানে র্পাথক্য দখো যায় না-সৃজনশীল মানুষরে।
১৯. মানুষরে বৃদ্ধি কবেল দহৈকি নয় – আত্মকিও।
২০. আত্মার উন্নতি ও অন্তর পরপর্ণ হয়- সাহত্যি ও শল্পিকলার দ্বারা।
২১. বৃক্ষরে অঙ্কুরতি হওয়া থকেে ফলবান হওয়া র্পযন্ত সখোনে কবেল- বৃদ্ধরি ইতহিাস।
২২. জীবনরে গূঢ় র্অথ সম্বন্ধে সচতেন হওয়া যায়- বৃক্ষরে দকিেতাকয়ি।

২৩. বৃক্ষ যে কবেল বৃদ্ধরি ইশারা তা নয় – প্রশান্তরিও ইঙ্গতি।
২৪. বৃক্ষ জীবনরে গুরুভার বহন করে – অতি শান্ত ও সহষ্ণিুতায়।
২৫. ‘নতি’ শব্দরে র্অথ – অবনত ভাব / বনিয় / নম্রতা।
২৬. গায়রে জোরে কাজ হাসলিে তৎপর থাকে যে তাকে বলে – জবরদস্তপ্রিয়ি।
২৭. এ প্রবন্ধে ‘বুলি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়ছে-ে গৎ বাঁধা কথা র্অথ।
২৮. জীবনে অনুকরণরে উপযুক্ত মহৎ ও শ্রষ্ঠে দকিকে বল-ে জীবনার্দশ
২৯. মুন-িঋষরিা তপস্যা করনে এমন বনকে বলে – তপোবন।
৩০. নর্মিাণ সৃষ্টতিে তৎপর যে তাকে বলে – সৃজনশীল।
৩১. জীবনরে তাৎর্পয উপলদ্ধি করার জন্য বৃক্ষরে দকিে তাকানোর কথা বলা হয়ছেে – বারবার।
৩২. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধরে লখেকরে বক্তব্যরে সাথে দ্বমিত রয়ছে-ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে।
৩৩. Ripeness is all উক্তটি-িউইলয়িাম শক্সেপয়িাররে।
৩৪. Ripeness শব্দরে র্অথ – পরপিক্বতা।
৩৫. ‘প্রকৃতরি যে র্ধম মানুষরে সে র্ধম’- উক্তটিি দ্বারা বোঝানো হয়ছে-ে উদারতা/ পরোপকারতিা।
৩৬. অন্তররে পরপিক্বতা হয়- সুখ দু:খ বদেনা উপলদ্ধরি ফলে।
৩৭. ‘তাই শক্ষিাক্ষত্রেে তাদরে এতো মূল্য’- এখানে ‘তাদরে’ শব্দটি দয়িে বোঝানো হয়ছেে – সাহত্যি ও শল্পিকলার।

প্রথম ও শেষ লাইন:
 প্রথম লাইন: সমাজের কাজ কবেল টকিে থাকার সুবধিা দওেয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা। বকিশতি জীবনরে জন্য মানুষরে জীবনে আগ্রহ জাগয়িে দওেয়া।
 শেষ লাইন: অতি শান্ত ও সহষ্ণিুতায় সে জীবনরে গুরুভার বহন করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here